যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন যশোরের একটি আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ নাজমুল আলম মামলার চার্জশিট গ্রহণের পর আসামিদের বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
অন্য দুই আসামি হলেন— যবিপ্রবির উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আব্দুর রউফ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) ড. কামাল উদ্দিন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আব্দুর রউফ আবেদন করেন। তৎকালীন উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তার নিয়োগ কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কমিটির সদস্য ছিলেন ড. কামাল উদ্দিন। তবে মৌখিক পরীক্ষায় কেউ উত্তীর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও আব্দুর রউফকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক এবং ২০২১ সালে উপ-পরিচালক পদে পদোন্নতি পান। এই প্রক্রিয়ায় ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত তিনি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০২৩ সালের ২১ আগস্ট দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. আল আমিন বাদী হয়ে ড. আব্দুস সাত্তার, ড. কামাল উদ্দিন ও আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়, যেখানে আসামিদের পলাতক দেখানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
No comments:
Post a Comment