সহকারী শিক্ষক, পূর্ব বনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,খুলনা সদর।
আজকে যার কথা বলতে যাচ্ছি তিনি যশোরের সন্তান।তার জন্ম যশোর শহরের উপশহরে, তারা তিন বোন দুই ভাই।
তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোটো।আসলে তার নিয়ে লিখতে গেলে অনেক কম হয়ে যাবে।তিনি নিউটাউন গার্লস স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ এবং ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন।
বর্তমানে তিনি খুলনায় অবস্থান করছেন।
এই করোনা মহামারীতে তিনি অনেক অবদান রেখে চলেছেন দিনের পর দিন।
তিনি নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার্ত দরিদ্র পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন তার সর্বোচ্চ দিয়ে।
তিনি যেহেতু শিক্ষক তার শিক্ষা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে
অনেকের মন জয় করে নিয়েছেন এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি Digital Praimary School khulna ও বাংলাদেশ অনলাইন প্রাথমিক বিদ্যালয় আয়োজিত উৎসবে বাংলাদেশ ইভেন্ট এ অংশগ্রহণ করেছেন।
যেটির ফলে সারা বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তার অভিনয় শৈলী দিয়ে।
তিনি উপস্থাপনা, অভিনয়,আবৃত্তিতে পারদর্শী।
তার কাছে শুনলে তিনি জানিয়েছে,
আমি আবেগী হয়ে গেছি!!!



Bangladesh online primary school এর আয়োজিত "'উৎসবে বাংলাদেশ "তিন দিনের উৎসবে আমার ছোট্ট শিক্ষার্থী বন্ধু তাফফিমুল তাসরিফ ঢাকা থেকে আমাকে ইনবক্সে কিছু ছবি ও ভিডিও পাঠিয়েছে
ভিডিওতে তার যে হাসি আমি শুনতে পেলাম,তাতে আমার প্রাণ জুড়িয়ে গেলো।
যাক এই করোনাতে ঘর বন্দী ছোট্ট শিশুদের যে আনন্দ দিতে পেরেছি, এতেই আমি নিজেকে শিক্ষক হিসেবে স্বার্থক মনে করছি।
আরো জানিয়েছেন এই করোনা কালে তার থেকে যদি কোনো মানুষের উপকার হয় তিনি সব সময় তাদের পাশে থাকবেন
কাজ করে যাবেন নিয়মিত।
No comments:
Post a Comment